বেশির ভাগ মৃগীরোগ বা এপিলেপসিতে রোগীর হাত, পা, শরীর শক্ত হয়ে হঠাৎ কাঁপতে শুরু করে। রোগী অজ্ঞান হয়ে যায়, জিহ্বায় কামড় পড়ে, হয়তো প্রস্রাব বা পায়খানা হয়ে যেতে পারে। এরপর রোগী গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে। কিছু বিচ্ছিন্ন খিঁচুনি বাদে পুরো ব্যাপারটা সাধারণত কয়েক মিনিটের জন্য হয়ে থাকে।
কিন্তু অ্যাবসেন্স সিজার ঠিক এভাবে হয় না। তাই অভিভাবকেরা প্রথমে একে খিঁচুনি বলে ভাবতেও পারেন না, বরং স্কুলে বা বাসায় এসব শিশুকে অনেক সময় অমনোযোগী হিসেবে ভাবা হয়। কারণ তার স্কুলের পড়ালেখাও আস্তে আস্তে খারাপ হতে থাকে। অনবরত খিঁচুনি হওয়ায় প্রায়ই সে শিক্ষক কী পড়াচ্ছেন তা ভালোমতো বুঝতে বা শুনতে পারে না।
এ ধরনের মৃগীরোগে বাচ্চাদের মস্তিষ্কের দুই দিকেই আক্রান্ত হয়। ইলেকট্রোএনকেফালোগ্রাম বা ইইজি পরীক্ষার মাধ্যমে খুব সহজেই এ রোগ শনাক্ত করা যায়।






