Wednesday, July 10, 2024

শিশুদের অ্যাবসেন্স সিজার কী?

বেশির ভাগ মৃগীরোগ বা এপিলেপসিতে রোগীর হাত, পা, শরীর শক্ত হয়ে হঠাৎ কাঁপতে শুরু করে। রোগী অজ্ঞান হয়ে যায়, জিহ্বায় কামড় পড়ে, হয়তো প্রস্রাব বা পায়খানা হয়ে যেতে পারে। এরপর রোগী গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে। কিছু বিচ্ছিন্ন খিঁচুনি বাদে পুরো ব্যাপারটা সাধারণত কয়েক মিনিটের জন্য হয়ে থাকে।

কিন্তু অ্যাবসেন্স সিজার ঠিক এভাবে হয় না। তাই অভিভাবকেরা প্রথমে একে খিঁচুনি বলে ভাবতেও পারেন না, বরং স্কুলে বা বাসায় এসব শিশুকে অনেক সময় অমনোযোগী হিসেবে ভাবা হয়। কারণ তার স্কুলের পড়ালেখাও আস্তে আস্তে খারাপ হতে থাকে। অনবরত খিঁচুনি হওয়ায় প্রায়ই সে শিক্ষক কী পড়াচ্ছেন তা ভালোমতো বুঝতে বা শুনতে পারে না।

এ ধরনের মৃগীরোগে বাচ্চাদের মস্তিষ্কের দুই দিকেই আক্রান্ত হয়। ইলেকট্রোএনকেফালোগ্রাম বা ইইজি পরীক্ষার মাধ্যমে খুব সহজেই এ রোগ শনাক্ত করা যায়।


 

ফুলের তৈরি ওড়নায় রাধিকা


 

নীতা আম্বানি দেখা দেন সোনালি ও রূপালি সিল্কের জমকালো একটি থ্রি–পিসে। প্যাস্টেল জলপাইরঙা ক্ল্যাসিক হায়দরাবাদি কুর্তাটির ওপরে সোনালি সুতায় ফুটে উঠেছে নকশা। ওড়নাটিই সবচেয়ে বেশি জমকালো। এর ওপরে রূপালি জরিতে ফুটে উঠেছে জারদৌসি এমব্রয়ডারি। পোশাকটি তৈরি করেছেন বলিউডের নামকরা ফ্যাশন ডিজাইনার মনীশ মালহোত্রা

ডেঙ্গুজ্বর থেকে সুরক্ষা


 

ডেঙ্গুতে আক্রান্ত কোনো শিশুর মর্মস্পর্শী মৃত্যুসংবাদ পড়ে আমরা স্তব্ধ হয়ে যাই। সন্তানহারা মা-বাবাকে সান্ত্বনা দেওয়ার ভাষা হারিয়ে ফেলি। অনেকেই বয়ে বেড়াচ্ছেন আপনজনের এমন মৃত্যুর স্মৃতি। হয়তো আজীবনই সঙ্গী হয়ে থাকবে সেই বেদনা। এমন বেদনাবিধুর, মর্মান্তিক ঘটনা আর যাতে না ঘটে, সেটাই আমাদের চাওয়া। সবাইকে তাই সচেতন হতে হবে। ডেঙ্গু প্রতিরোধে গড়ে তুলতে হবে সঠিক সুরক্ষাব্যবস্থা।

প্রথম পদক্ষেপ পরিবার থেকেই নিতে হবে। যেকোনো বয়সী ব্যক্তিই ডেঙ্গুজ্বরের ভয়াবহতায় আক্রান্ত হতে পারেন। তাই মশা থেকে সুরক্ষা সবারই প্রয়োজন। মশার বিস্তার রোধ করতে ব্যবস্থা নিন এখনই। এলাকাভিত্তিক সুরক্ষাব্যবস্থাও জরুরি। ডেঙ্গু ছড়ায় মশার কামড়ে। আর মশা বংশবিস্তার করে আবদ্ধ পানিতে। তাই ঘরের ভেতরে, বারান্দায়, ছাদে, এমনকি ভবনের আশপাশের কোনো জায়গায় পানি জমে থাকতে দেবেন না। আর এই মৌসুমের জ্বরকে অবহেলা করা যাবে না; বরং ডেঙ্গুজ্বরের যেকোনো উপসর্গ দেখা দিলেই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া আবশ্যক। প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষাও করাতে হবে সময়মতো। চিকিৎসা ও সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণের জন্য প্রয়োজনে হাসপাতালে ভর্তিও থাকতে হতে পারে। ডেঙ্গুজ্বর থেকে সুরক্ষিত থাকার উপায় সম্পর্কে এমন নানা পরামর্শ দিয়েছেন ধানমন্ডির পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মেডিসিন কনসালট্যান্ট ডা. সাইফ হোসেন 

আচারের তেল খাওয়া


 মৌসুমটা কাঁচা আমের। বছরজুড়ে আমের স্বাদ পেতে এ সময় আমের আচার করে রাখেন অনেকেই। আম ছাড়াও নানা উপকরণের আচার করা হয়। আচারে ব্যবহার করা হয় তেল আর হরেক পদের মসলা। তবে সুস্থ থাকতে তেল-মসলা কম খাওয়ার পরামর্শই দেন বিশেষজ্ঞরা। আচারের তেলও কি স্বাস্থ্যের জন্য খারাপ, নাকি উপকারী?

গল্পটা একজন প্রোগ্রামারের, একজন ভাইয়ের

 

লেখার সঙ্গে যে ছবিটা দেখতে পাচ্ছেন, সেটা লাবিব তাজওয়ার রহমানের ফেসবুক থেকে নেওয়া। ছবির সঙ্গে লাবিব ক্যাপশনে যা লিখেছেন, সেখানেই আদতে অল্পের মধ্যে তাঁর পুরো গল্পটা বলা আছে। ইংরেজিতে লেখা ক্যাপশনটির বাংলা করলে দাঁড়ায়—‘১০ বছর আগে কোড ডট অর্গ নিয়ে বিল গেটসের একটা ভিডিও থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে আমি কোডিং শুরু করেছিলাম। আর ঠিক ১০ বছর পর কোড ডট অর্গের ১০ বছর পূর্তি অনুষ্ঠানে আমাকে সম্মাননা জানানো হলো, আমারই কাজের জন্য, এমনকি বিল গেটসের উপস্থিতিতে! ছবিতে কোড ডট অর্গের সিইওর সঙ্গে আমি…’

এই ১০ বছরে কী কী ঘটল, যা লাবিবকে তাঁর স্বপ্নের এতটা কাছাকাছি নিয়ে গেল?

স্ট্যানফোর্ডের দিনগুলো

ঢাকার সেন্ট জোসেফ স্কুলে পড়ার সময় থেকেই মাথায় চেপেছিল কোডিংয়ের ঝোঁক। দশম শ্রেণিতে যখন পড়েন, দুজন বন্ধুকে সঙ্গে নিয়ে নাসার কেনেডি স্পেস সেন্টারে অনুষ্ঠিত কনরাড অ্যাওয়ার্ডে অংশ নিয়েছিলেন লাবিব। জায়গা করে নিয়েছিলেন সেরা ৬-এ। এ ছাড়া ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠিত ‘ফার্স্ট গ্লোবাল’ রোবোটিকস প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের দলনেতা ছিলেন তিনি। মাধ্যমিকে পড়ার সময়ই সার্ন বা ‘ইউরোপিয়ান অর্গানাইজেশন ফর নিউক্লিয়ার রিসার্চ’ নামের প্রখ্যাত বিজ্ঞানভিত্তিক গবেষণাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী হিসেবে ইন্টার্নশিপ করার সুযোগ পান।

স্নাতক–স্নাতকোত্তর করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে। শুরুতে পদার্থবিজ্ঞান বিভাগে ভর্তি হয়েছিলেন লাবিব। কিন্তু প্রথম বর্ষে ডার্ক ম্যাটার গবেষণা দলের সঙ্গে কাজ করতে গিয়ে কম্পিউটার আর কোডিংই তাঁকে বেশি টানে। তাই তৃতীয় বর্ষে বিষয় বদলে বেছে নেন কম্পিউটার বিজ্ঞান।


তুফানের ‘জুলি’

 

সবে মা হয়েছেন। তাই ওজন বাড়তি হবে, এটাই তো স্বাভাবিক। মাসুমা রহমান নাবিলাও স্বাভাবিকভাবেই তাই বাড়তি ওজনটা মেনে নিয়েছিলেন। কিন্তু বেশ কিছু শারীরিক জটিলতায়ও ভুগছিলেন তিনি। যেমন শরীর খুব ভারী লাগত, পায়ে ব্যথা হতো। ভেবেছিলেন ক্যালসিয়ামের ঘাটতির কারণে বুঝি এসব হচ্ছে। তাই একজন পুষ্টিবিদের শরণাপন্ন হলেন ‘তুফান’ সিনেমার এই অভিনেত্রী। ‘স্মিহার বয়স তখন ছয় মাস। সেই সময় আমি পুষ্টিবিদের পরামর্শমতো খাবার খেয়ে প্রায় পাঁচ কেজি ওজন কমাই,’ বলছিলেন নাবিলা।

যেভাবে আদি চেহারা

 

সোনারগাঁ ছিল মধ্যযুগীয় বাংলার (১২৯৬-১৬০৮) প্রশাসনিক, সামুদ্রিক ও ব্যবসা-বাণিজ্যের কেন্দ্র। ১৩৩৮ সালে এই শহরকে স্বাধীন বাংলার প্রথম রাজধানী করেন সুলতান ফখরুদ্দীন মুবারক শাহ। এ কারণে সোনারগাঁর আশপাশে গড়ে ওঠে আবাসিক, প্রশাসনিক ও বাণিজ্যিক নানা স্থাপনা। মরক্কোর পর্যটক ইবনে বতুতা এ সময়ই সোনারগাঁ এসে দেখেছিলেন নগরবাসীর অর্থনৈতিক প্রাচুর্য। নদীপাড়ের বসতিটিকে তাঁর মনে হয়েছিল মিসরের নীল নদপারের সভ্যতার সমতুল্য। ১৬০৮ সালে মোগল সাম্রাজ্যের পূর্ব সুবাহর রাজধানী সোনারগাঁ থেকে জাহাঙ্গীরনগরে (বর্তমান ঢাকা) সরিয়ে নেওয়া হয়। ফলে কিছু সময়ের জন্য (১৬০৮–১৭৫৭) এই এলাকার জীবনযাত্রা স্থবির হয়ে পড়ে। ঔপনিবেশিক শাসনের সময় (১৭৫৭–১৯৪৭) হিন্দু জমিদার ও বণিকদের কল্যাণে আবারও শুরু হয় অর্থনৈতিক বিকাশ। দেশভাগের পর সোনারগাঁর বিত্তশালী হিন্দু পরিবার–পরিজন ভারতে চলে গেলে পুরো সোনারগাঁই হয়ে পড়ে জনমানবশূন্য প্রাচুর্যহীন একটি অঞ্চল। প্রাচীন এই রাজধানীর অধিকাংশ সাংস্কৃতিক নিদর্শন অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে পড়ে নষ্ট হতে থাকে। তেমনই একটি আবাসিক নিদর্শন বড় সরদার বাড়ি।

এসি ভালো রাখতে

  যতটা সম্ভব কম সময় এসি চালান। বাইরের তাপমাত্রা সহনীয় হলে এসি বন্ধ করে জানালা-দরজা খুলে দিন। • প্রাকৃতিক উপায়েই যতটা সম্ভব ঘর শীতল রাখুন। এতে এসির দীর্ঘদিন কার্যকর থাকবে। • ঘরে কেউ না থাকলে কখনোই এসি চালান না। • এসির তাপমাত্রা অতিরিক্ত কমিয়ে দেবেন না। সহনীয় পর্যায়ে রাখুন।

শিশুদের অ্যাবসেন্স সিজার কী?

বেশির ভাগ মৃগীরোগ বা এপিলেপসিতে রোগীর হাত, পা, শরীর শক্ত হয়ে হঠাৎ কাঁপতে শুরু করে। রোগী অজ্ঞান হয়ে যায়, জিহ্বায় কামড় পড়ে, হয়তো প্রস্রাব বা প...